আজকের আলোচনার বিষয়ঃ বিতর্কের পরম্পরা মডেল

বিতর্কের পরম্পরা মডেল
তর্ক নদীর গড়িয়ে যাওয়া
জীবনের কাছাকাছি না নিয়ে গেলে কোনো শিল্পই টিকে থাকতে পারে না। বিতর্ক একটি উদ্বুদ্ধকরণের শিল্প হওয়ার পরও এখন পর্যন্ত এটি বেশ কিছু যান্ত্রিকতায় আবদ্ধ। এ জন্য বিতার্কিককে অনেক সময় বলা হয় মুখস্থবিদ্যায় পারদর্শী, অনেক সময় মনে হয় যন্ত্রের মধ্য থেকে কথা বেরোচ্ছে দুর্ধর্ষ বেগে। সামনে বসে মুচকি হাসছেন সেই শিক্ষক, যিনি এগুলো শিখিয়ে দিয়েছিলেন। শিক্ষক শেখাবেন, এ তো স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু শিক্ষকের শেখানো একেবারে দাঁড়ি-কমার ওপর বক্তার নির্ভরতা সৃষ্টি হলে তা একদিকে হয় যান্ত্রিকতা, অর্থাৎ অনেকটা ক্যাসেট প্লেয়ার বাজানো।
অন্যদিকে তা বক্তার সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটায় না। বরং অতিমাত্রার পূর্বপ্রস্তুতি এবং অন্যের নির্দেশনার ফলে বক্তা ক্রমান্বয়ে আত্মবিশ্বাস হারাতে থাকেন। আত্মবিশ্বাসের অভাবে কোনো মানুষই সৃজনশীল হয় না । টিভি বিতর্কের কারণে আমরা ছাত্রজীবনে হাজার হাজার বক্তার সঙ্গে পরিচিত হই । কিন্তু পরবর্তী জীবনে তাঁদের অধিকাংশই আর সৃজনশীলতার যোগ্য স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হন না। সনাতনী বিতর্কের সীমাবদ্ধতা আছে। এর গুণও আছে। তারপরও সৃজনশীলতা এবং বক্তার প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বিকাশে অন্য পদ্ধতির উদ্ভাবন নিয়েও ভাবা উচিত ।
সনাতনী পদ্ধতি বক্তার বাধ্যতামূলক পাঠাভ্যাস বাড়ায়। এতে অজানা বিষয়ে জ্ঞানের বিস্তৃতি ঘটে, যা বক্তাকে ক্রমান্বয়ে ক্ষমতাময় করে। সংসদীয় পদ্ধতিও বক্তার সৃজনশীলতা এবং প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বিকাশে সহায়ক। এ ছাড়া পুঞ্জ বিতর্ক কিংবা বজ্র বিতর্কপদ্ধতি বক্তার সৃজনশীলতা ও প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বিকাশে উদ্দীপ্ত করে, যদিও এ মডেলগুলো এখনো সেভাবে প্রচলিত নয়।
কর্মজীবনে আমরা যখন কূটনীতিক, সাংবাদিক, শিক্ষক, রাজনীতিক, ব্যবস্থাপক প্রভৃতি দায়িত্ব পালন করি, তখন আলোচনার টেবিলে পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে সাজানো-গোছানো পাঁচ মিনিটের বিতর্ক করা যায় না। হঠাৎ করে এক কথার পিঠে আরেক কথা এসে যায় এবং একজন উদ্বুদ্ধকারী হিসেবে আমাদের তার যোগ্য জবাব দিতে হয়।
পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয় সূক্ষ্ম রুচিবোধ, শালীনতা, ধৈর্য ও পরমতসহিষ্ণুতা প্রমাণ করে। এগুলো এক দিনে গড়ে ওঠে না। সবকিছু লক্ষ্যযুক্ত পথে ক্রমাগত চর্চার মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব। এখানেই বিভিন্ন আধুনিক মডেলের বিতর্কচর্চা আবশ্যকীয় হয়ে পড়ে। এ উদ্দেশ্য সামনে রেখেই নিবেদিত হচ্ছে পরম্পরা মডেল বা এক কথায় পরম্পরা বিতর্ক, যার ইংরেজি করা যেতে পারে ‘সিকুয়েন্স মডেল’ (Sequence Model)।

পরম্পরা বিতর্কের পটভূমি
পরম্পরা বিতর্ক অনেকের জীবনেই প্রতিদিন ঘটে যাচ্ছে। প্রায় সবার জীবনেই আড্ডা ভালো লাগার বিষয়। আমরা ছাত্রজীবনে বন্ধুবান্ধব কিংবা কর্মজীবনে সহকর্মীদের সঙ্গে কাজের অবসরে আড্ডা দিয়ে থাকি। বিতর্ক শুধু প্রতিপক্ষের সঙ্গেই হয় না। একই পরিবার, একই নেতা কিংবা একই রাজনীতির মানুষেরা যখন আমরা একত্রে বসি, তখন হঠাৎ করেই হয়তো একটা চলমান বিষয় নিয়ে কথা শুরু হলো। এই চা-চক্র, বাদামচক্র কিংবা আড্ডাগুলোতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে বারবার এক বিতর্ক হয় না। বরং কথার পিঠে কথায়, অর্থাৎ বিভিন্ন সূত্র পরম্পরা বিষয় দিয়ে। হয়তো প্রেম নিয়ে কথা শুরু হয়, কিন্তু শেষ হয়। উত্তেজনার রাজনীতি নিয়ে। আবার প্রেম থেকে রাজনীতি পর্যন্ত আলোচিত বিভিন্ন বিষয়ের সংখ্যা হতে পারে হয়তো ১০ থেকে ১২।
আবার এগুলোর মধ্যে সব কটি তর্কই যে একটা মীমাংসায় পৌঁছাতে পারে, তা সত্য নয় । আবার সবাই যে সব কথা চূড়ান্তভাবে বলে, তাও নয়। এ জাতীয় আড্ডা বা চক্রের মানেই হচ্ছে একাধিক বিষয় নিয়ে তত্ত্ব, তথ্য, হাস্য, শ্লেষ, বিদ্বেষ, ক্ষোভ, যুক্তি প্রভৃতির এক নান্দনিক সমন্বয়। এই জৈবনিক চিত্রের এক পরিশীলিত রূপই হচ্ছে ‘পরম্পরা বিতর্ক’।
একটি মালায় বিভিন্ন পুষ্প যেমন বিচিত্র পরম্পরায় গ্রন্থিত করা হয়, এ বিতর্কেও বিভিন্ন বিষয় এরূপ বাচনিক যোগসূত্রে গেঁথে দেয়। এটি বক্তার তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত-ক্ষমতা এবং মেধা ও মননশীলতার লাগসই প্রয়োগ-দক্ষতা বাড়ায় । কিন্তু শ্রোতা নিজের অজান্তেই এক বিষয় থেকে আরেক বিষয়ে গড়িয়ে গিয়ে অব্যাহত মনোযোগে নিবিষ্ট থাকে। রম্য বিতর্কে এর প্রয়োগ বেশি হতে পারে। কারণ, মানুষ আড্ডা দেয় কঠিন বা জটিল বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করার জন্য নয়।
অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসু তাঁর ‘বাস্তব জগতের একজন অর্থনীতিবিদ’ গ্রন্থে বলেছেন যে তিনি অর্থনীতির অনেক বেশি কিছু শিখেছেন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কফি হাউসের আড্ডা থেকে। শিল্পী মান্না দের কণ্ঠে এবং কবি গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের লেখায় ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা গানে যেন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পরম্পরা বিতর্কের রূপ। সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতির অনেক বিষয়ে সেখানে উত্তপ্ত বাদানুবাদ হতো। পরম্পরা বিতর্ক সে রকম আড্ডারই খানিকটা রীতিবদ্ধ রূপ।

পরম্পরা বিতর্কের সংক্ষিপ্ত নিয়মাবলি
ধরা যাক, চার বন্ধুর এক চা-চক্র হচ্ছে। এরা কেউই মিনিট মেপে কথা বলছে না কিন্তু এমন একটা জায়গায় শেষ করছে, যা পরবর্তী আরেক বক্তার জন্য বিষয়বস্তুর ‘কিউ’ দিয়ে যায় (অনেকটা টিভিতে প্রদর্শিত ‘অন্তাক্ষরী’-র মতো) পরের বক্তা হয়তো মনে মনে ঠিক করে রেখেছেন যে তিনি এই তর্কসূত্রটি শেষে ছুড়ে দেবেন। কিন্তু পূর্ববর্তী বন্ধুর সদ্য সমাপ্ত কথাটির পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলার পর যোগসূত্র খাটিয়ে তাকে নিজের ওই পরিকল্পিত অবস্থানে আসতে হবে এবং ওখানে শেষ করে পরবর্তী বক্তার জন্য আরেকটি সিদ্ধান্ত ছুড়ে দিতে হবে।
পরবর্তী বক্তা ওটাকে নিয়ে আবার পূর্বের ধাঁচে কাজ করবেন। এ ক্ষেত্রে পরবর্তী বক্তা দলের যে কেউ হতে পারেন। তর্কে পরস্পরকে প্রাণবন্ত রাখার জন্য এ স্বাধীনতা এখানে দেওয়া যায়। ধরা যাক, ‘ক’ ও ‘খ’ একদলের মানুষ, অন্যদিকে A ও ‘B’ অন্য দলের । এই দল করার উদ্দেশ্য শুধু নাম্বার বা কোনো প্রতিষ্ঠানকে জয়ী ঘোষণার প্রয়োজনে। নাম্বারগুলো আলাদাভাবে দেওয়া হলো এবং ক+খ><A+B হিসাব করে রায় দেওয়া হবে।
একজন বক্তা সর্বোচ্চ টানা তিন মিনিট বলবেন । কিন্তু তাঁর বক্তব্যের মাঝ থেকে যদি অন্য বক্তা কথা টান দিয়ে বের করে নিজের তর্ক শুরু করেন, তাহলেও তা গ্রহণযোগ্য। কিছুটা শৃঙ্খলার জন্য দলীয় অর্ডার থাকলেও দলের মধ্যবর্তী বক্তাগত অর্ডার রক্ষা করা অপ্রয়োজনীয় । অর্থাৎ, ক-এর পর A বা B বলবেন, A বা B-এর পর ক বা খ বলবেন। এভাবে বিতর্কটি চলবে ৩০ মিনিট
কোনো সভাপতির হস্তক্ষেপ বা বিঘ্ন এখানে অনুপস্থিত। তবে একজন নিয়ন্ত্রক পর্যবেক্ষণ করবেন। তিনি যেকোনো বিচ্যুতিতে হস্তক্ষেপ করে অনেকটা স্পিকারের মতো এই গ্রন্থিত বিতর্ককে আবার ধারায় ফিরিয়ে আনবেন। এখানে বক্তার নাম ধরে কথা বলা হবে। তবে সৌজন্য রক্ষা করার দায়িত্ব সবার । ভিন্ন দলের হলেও বক্তারা বসবেন মিশ্রিতভাবে ক. A. খ, B-এ ধারায় দর্শকের দিকে উপবৃত্তাকারে একই টেবিলে।
কন্ট্রোলার বসবেন তাদের পেছনে একটু উচ্চতর আসনে। সবাই বসেই কথা বলবেন। তাদের টেবিলে চা, পানীয় বা পানি পরিবেশিত থাকতে পারে। তবে কথা বলার সময় হাতে কোনো পানীয়, কলম এমনকি মাইক্রোফোন রাখা দৃষ্টিকটু। এগুলো আরোপিত শৃঙ্খলা বা যান্ত্রিকতা বাড়ায়। স্বাচ্ছন্দ্য এবং আনন্দবোধ এ বিতর্কের প্রাণ। মধ্যবর্তী স্বাভাবিকতাজাত হাসি কিংবা আন্তরিক উচ্ছলতা এ বিতর্কের জন্য নিষিদ্ধ নয় । বরং কৃত্রিমতাই এ বিতর্কধারায় ‘চোখের বালি’।
পরম্পরা বিতর্কের একটি নমুনা
ক : আজকাল যে হারে দলবদল শুরু হয়েছে, তাতে আগামী দিনে দলগুলোর কোনো রাজনৈতিক আদর্শ থাকবে বলে মনে হয় না।
A : আগামী দিনে কেন এখনই তো অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের কোনো আদর্শ নেই। ওদের ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই।
খ : ওদের ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই কথাটা ঠিক নয়। কিছু উন্নাসিক মধ্যবিত্ত তাদের ওপর আস্থা হারালেও অধিকাংশ মানুষ এখনো রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আস্থা রাখছে। তারা ভোট দিতে যাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণায় পর্যন্ত অংশগ্রহণ করছে।
B: খ সাহেব, নির্বাচনী প্রচারণায় পাবলিক কি দেখেছেন? ওগুলো পয়সা দিয়ে কেনা পাবলিক ৷ আজকাল টাকা হলে সব কেনা যায়। টাকা হলে মানুষের মনমানসিকতাও পাল্টে দেওয়া যায়।
খ : না জনাব B. এটা ঠিক নয়। দেখুন, টাকা দিয়েই আপনি কারও মন পেতে পারেন না। টাকা দিয়ে তো প্রেম, ভালোবাসা, সমর্থন কিনতে পারেন না।
B: টাকা বলতে আপনি শুধু টাকা বুঝলেন কেন? টাকা মানে ক্রয়ক্ষমতা প্রতিপত্তি, সম্পদ। এগুলো থাকলে প্রেমও কেনা যায়। সম্রাট শাহজাহান প্রতিপত্তি আর ক্ষমতা দিয়েই মমতাজকে ঘরে এনেছিলেন। তারপর সেজেছিলেন বিশ্ববিখ্যাত প্রেমিক। মমতাজ যখন মারা যান, তখন শাহজাহানের ঘরে আরও উপপত্নী ছিলেন। নিজের কন্যার প্রেমকে তিনি পদদলিত করেন। তাজমহলের রূপকারদের আঙুল কেটে দিয়েছিলেন। অথচ এই প্রতিপত্তিশালী প্রেমিককে আমরা মহান প্রেমিকের প্রতীক মনে করি। আসলে এই উপমহাদেশের চিন্তাধারা এখনো মধ্যযুগীয়।
ক : ঠিক বলেছেন, উপমহাদেশীয় চিন্তাধারা মধ্যযুগীয় বলে আজও আমরা উত্তরাধিকারের রাজনীতিকে পুষে যাচ্ছি।
A : পুষে যাচ্ছি, তা ঠিক নয়। বংশানুক্রমিক রাজনীতি আসলে তাদের যোগ্যতার মাধ্যমেই টিকে যাচ্ছে। এ পরিবারগুলো রাজনীতি শিক্ষার এক একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। এ শিক্ষালাভই তাঁদের যোগ্যতা।
খ : যোগ্যতা কোথায় দেখলেন? এগুলো হচ্ছে বংশানুক্রমিক রাজনীতির ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এক-একটা অপকৌশল। এ অপকৌশল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা সর্বত্রই চলছে।
B: এটা অপকৌশল নয়। কৌশল। জনগণ যদি তাদের চায় আপনি কী বলবেন? এরই নাম গণতন্ত্র ।

সমাপনী
এ নমুনা থেকে আমরা দেখতে পেলাম, কোথাও কথাবার্তার পরম্পরায় সংকট ঘটেনি। এক প্রসঙ্গ থেকে গড়িয়ে গড়িয়ে আমরা মনের অজান্তেই অন্য প্রসঙ্গে চলে এসেছি। বিষয়-পরম্পরায় এসেছে
১) দলবদল, ২) রাজনৈতিক আদর্শ, ৩) জনতার আস্থা, ৪) অর্থবিত্ত- সম্পদের ক্ষমতা ৫) প্রেম, ৬) উপমহাদেশের চিন্তাধারা, ৭) বংশানুক্রমে রাজনীতি ও সবশেষে ৮) গণতন্ত্র। এটি চলতে থাকলে আরও অনেক বিষয় টেনে আনবে। কেউ হয়তো বলবেন, ক্ষেত্র নির্দিষ্ট না করে দিলে অনেকে নিম্ন রুচির বিষয় নিয়ে আসতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কন্ট্রোলার শৃঙ্খলা আনবেন। তা ছাড়া কোনো বক্তার দক্ষতা বা মননশীলতার মান প্রমাণিত হবে তাঁর আলোচনা, বিষয়কে টেনে আনা, ওপরে ওঠানো বা নিচে নামানোর ওপর।
বিতর্ক ভাবুকেরা এ ব্যাপারে আরও গঠনমুখী মতামত প্রদান করতে পারেন । তবে চর্চা বাড়ালে এর ত্রুটি বা সুবিধাগুলো বোঝা যাবে। তখন একে আরও ঢেলে সাজানো সম্ভব। অধিক জীবনঘনিষ্ঠ প্রয়োগে বিতর্ক হয়ে উঠবে সমৃদ্ধতর শিল্প। পরম্পরা বিতর্ক গড়িয়ে যাওয়া তর্কনদীর মতো। পাহাড়ের ঝরনা থেকে তার সৃষ্টি। তারপর সরু ধারার স্রোতোস্বিনী তার রূপ। তারপর সমতলে নদী- মোহনায় সমুদ্রের সঙ্গে মিলনে বিশালতার পূর্ণতা।
এ বিতর্কের বক্তারা যতটা বৈচিত্র্যময় অধ্যয়নের শিক্ষা নিয়ে সম্মিলিত হবেন ততটা সমৃদ্ধ হবেন শ্রোতারা। তার্কিকেরা নিজেরাও সমৃদ্ধ হবেন বৈকি। সব বিদ্যা তো আর পড়া থেকে হয় না । শোনা থেকেও হয়। কীভাবে বক্তা তা শোনাচ্ছেন সেটাও দেখার বিষয়। সব মিলিয়ে পরম্পরা বিতর্ক হয়ে উঠুক এক জ্ঞানোদ্দীপ্ত বৈঠুকি আলাপযুদ্ধ ।
