সনাতনী বিতর্ক কী? কেন? কিভাবে? সনাতনী -বিতর্কের নিয়মাবলী বা সনাতনী বিতর্ক [Traditional Debate] প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী আজকের ভিডিওর আলোচনার বিষয় ।
সনাতনী বিতর্ক
সনাতনী বিতর্ক [Traditional Debate] – কী? কেন? কিভাবে? সনাতনী -বিতর্কের নিয়মাবলী বা সনাতনী -বিতর্ক [Traditional Debate] প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী সহ ডিবেটের নিয়েমাবলি নিয়ে বেশ কিছু ক্লাস সম্প্রতি প্রকাশিত হচ্ছে। সনাতনী -বিতর্ক [Traditional Debate] ফর্মেটটি বিতর্কের বেশ প্রাচীনকালীন ফর্মেট। এ ফরম্যাটটি বর্তমানে খুব একটি প্রচলিত না থাকলেও বাংলাদেশের জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক বা স্কুল পর্যায়ের বিতর্কগুলো এখনো সনাতনী -বিতর্ক [Traditional Debate] পদ্ধতিতে করা হয়ে থাকে। বিতর্কের এ ধারায় ব্যাকরণিক জটিলতা অন্য যেকোনো ফরম্যাটের বিতর্ক থেকে যথেষ্ট কম।

এখানে একটি নির্ধারিত বিষয়ের উপর পক্ষ দলের ও বিপক্ষ দলের তিনজন বক্তা (১ম বক্তা, ২য় বক্তা ও দলনেতা) পালাক্রমে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। সনাতনী- বিতর্কে সাধারণত প্রত্যেক বক্তা তার বক্তব্য উপস্থাপনের জন্যে পাঁচ মিনিট ও গঠনমূলক পর্বের বক্তব্য শেষে উভয় পক্ষের দলনেতারা যুক্তিখন্ডনের জন্যে অতিরিক্ত তিন মিনিট করে সময় পেয়ে থাকেন। সনাতনী -বিতর্ক পরিচালনার দায়িত্বে যিনি থাকেন তাকে ‘সভাপতি’ বা ‘মডারেটর’ হিসেবে সম্বোধন করা হয়ে থাকে। বর্তমানে এর প্রচলন কমে গেলেও বিতর্কের হাতেখড়ির জন্যে সনাতনী- বিতর্ক যথার্থ।
সনাতনী বিতর্ক: বিতর্কের এই ধারা বেশ প্রাচীন হলেও বাংলাদেশের জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক বা স্কুল পর্যায়ের বিতর্কগুলো সনাতনী পদ্ধতিতেই হয়ে থাকে। এখানেও দুটি পর্ব থাকে-গঠনমূলক ও যুক্তিখণ্ডন। দুটি দল থাকে-পক্ষ দল ও বিপক্ষ দল। পক্ষ ও বিপক্ষ দলের তিনজন করে মোট ছয়জন বক্তা বিতর্কে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। উভয় দলের প্রথম বক্তা, দ্বিতীয় বক্তা ও দলনেতা গঠনমূলক পর্বে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য পাঁচ মিনিট এবং যুক্তিখণ্ডনের জন্য প্রতিটি দলের দলনেতা তিন মিনিট সময় পেয়ে থাকেন। সনাতনী -বিতর্ক যিনি পরিচালনা করেন, তাঁকে ‘সভাপতি’ বা ‘মডারেটর’ বলে সম্বোধন করা হয়।
সনাতনী বিতর্ক নিয়ে বিস্তারিত ঃ
